:: Gaxon_Info ::
Try To Better Service....
::Info
:: ::
::Bangla_Problem::
:: Follow Us ::
Online Page Viewing..
Search
Translate This Page in Any Language [ Break the Language ]
Showing posts with label tension. Show all posts
Showing posts with label tension. Show all posts
08:05
21:39
08:02
07:38
09:18
::: Gaxon Health_Care :::
ঘুমোতে যাওয়ার আগে সম্ভব হলে স্নান
করে নিন৷ তা না হলে অবশ্যই হাত পা ভাল
করে ধুয়ে নিন, দুই হাতের
কবজি ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে নিন৷ ঘাড়ে,
গলায় জল দিন৷
বিছানার কাছে জল
ভর্তি একটা স্প্রে রাখুন৷ গাছে জল দেওয়ার
স্প্রে হলেও চলবে৷ ঘুমোতে যাওয়ার
আগে ঘাড়ে-মুখে হালকা জল
স্প্রে করতে পারেন৷
একটা রুমাল বা এক টুকরো নরম কাপড়
জলে ভিজিয়ে ঘন্টাখানেক ফ্রিজের ভিতর
রেখে দিন৷ শোয়ার সময়
কাপড়টা কপালে দিয়ে রাখুন৷
এটি মাথা ঠান্ডা করবে এবং দ্রুত ঘুমোতেও
সাহায্য করবে৷
গরম অতিরিক্ত অনুভূত হলে অল্প ভেজা টি-
সার্ট বা মোজা পায়ে দিয়েও ঘুমোনোর
চেষ্টা করতে পারেন৷ এটি শরীর
ঠান্ডা করবে এবং ঘাম রোধ করবে৷
অবশ্যই সুতি এবং নরম কাপড়ের বিছানার
চাদর ব্যবহার করুন৷ বিছানার চাদর ও
বালিশের কভার নিয়মিত পরিষ্কার
করে ব্যবহার করবেন৷
দিনে যতটা সম্ভব জল খান,
সুস্থভাবে কাটানোর চেষ্টা করুন৷ তার পরও
ঘুম না এলে ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনা করুন,
তাতে রাতের ঘুম ভাল না হলেও
বাড়তি চাপের কারণে পরের দিন খারাপ
যাবে না, বরং সৃষ্টিশীল হয়ে উঠতে পারে৷
Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki,
Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks,
Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android
rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph,
Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার
কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে,
তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
09:04
::: Gaxon Health_Care :::
বলা হয়ে থাকে, তরমুজ ওজন কমাতে সাহায্য করে, নিম্ন
রক্তচাপ থাকলে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সহায়ক তরমুজ। তবে, নতুন খবর হলো, তরমুজ পুরুষদের
যৌনজীবনকে তরতাজা করে তুলতে পারে!
রসাল এই ফলের স্বাদের কথা সবাই জানেন। খেতেও পছন্দ
করেন অনেকেই। কিন্তু আলাদাভাবে এর পুষ্টিগুণের কথা আলোচনা হয় না খুব একটা।
সম্প্রতি ইতালীয় গবেষকদের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, তরমুজের
সাইট্রুলিন অ্যামাইনো অ্যাসিড রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর পাশাপাশি পুরুষত্বহীনতায় মহৌষধ
হিসেবে কাজ করতে পারে। ইন্দো-এশিয়ান নিউজ এ খবর জানিয়েছে।
আমাদের শরীর এই সাইট্রুলিনকে ব্যবহার করে আরেকটা অ্যামাইনো
অ্যাসিড সৃষ্টি করে, যার নাম অরগিনিন। এই অরগিনিন অনেকটা ভায়াগ্রার মতো কাজ করে। এটা
শরীরে নাইট্রিক অক্সাইড বাড়ায়, যা রক্তনালিগুলোকে চাপমুক্ত করে। ভায়াগ্রা-জাতীয় ওষুধগুলোও
এই একই প্রক্রিয়ায় কাজ করে থাকে। আর অতিরিক্ত নাইট্রিক অ্যাসিড কণ্ঠনালির প্রদাহ, উচ্চ
রক্তচাপ এবং অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা সমাধানে সহায়ক হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে
গবেষণাটিতে।
রসাল ফল তরমুজের ৯২ ভাগই পানি আর ৮ ভাগ শর্করা। তরমুজ
একই সঙ্গে ভিটামিন ‘সি’রও দারুণ উত্স।
Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki,
Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks,
Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android
rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph,
Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার
কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে,
তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
Tags:Health Care,man,tension,Tips,water,www.gaxon.in | 0
comments
09:02
::: Gaxon Health_Care :::
সমৃদ্ধশালী দেশে মানুষ সাধারণত জীবন নিয়েই সন্তুষ্ট
থাকে। কিন্তু তাদের জীবনেও একধরনের তিক্ত দুঃখবোধ ও বিরক্তি থাকতে পারে। ফলে দরিদ্র
দেশের মানুষের চেয়ে তারা এক হিসাবে পিছিয়ে পড়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান
বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লুই টে ও তাঁর সহযোগীরা ১৫৮টি দেশের আট লাখ ৪০ হাজার মানুষের
ওপর পরিচালিত এক গবেষণার ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। এ গবেষণা প্রতিবেদন সাইকোলজিক্যাল
সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়, মানসিক চাপের তীব্রতা ধনী দেশের বাসিন্দাদের
মধ্যেই তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। ফলে তাদের মধ্যে নেতিবাচক আবেগের প্রকাশও বেশি। আর
সেই বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিত্তশালী মানুষের তুলনায় জিম্বাবুয়ের একজন স্বল্প
আয়ের মানুষও সুখী জীবনযাপন করতে পারে।
লুই টে বলেন, উন্নত আয়ের দেশের মানুষের জীবনযাত্রা
বেশ দ্রুত। আর সেখানে কাজ, মানুষের প্রত্যাশা আর বিভিন্ন বিকল্প থেকে বাছাই করে নেওয়ার
সুযোগও থাকে বেশি। কিন্তু দরিদ্র আয়ের দেশের মানুষের জীবনের গতি ও চাহিদাও থাকে তুলনামূলক
কম।
মানসিক চাপ ও দুঃখবোধের সম্পর্ক নিয়ে অতীতেও একাধিক
গবেষণা হয়েছে। এতে দেখা যায়, উদ্বেগ এবং হরেক রকমের বিকল্প থেকে সেরা কিছু বাছাই করতে
গিয়ে মানুষ চাপের মধ্যে পড়ে। লাইভসায়েন্স।
Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki,
Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks,
Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android
rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph,
Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার
কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে,
তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
08:58
::: Gaxon Health_Care :::
সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের তরুণী, যে নিজের জীবন নিয়ে
অনেক স্বপ্ন দেখে। কিন্তু স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার ঈশ্বরপ্রদত্ত গায়ের
রঙ। এ নিয়ে সে খুবই হতাশ। অবশেষে কোনো এক বান্ধবীর পরামর্শে একটি ‘জাদুকরি’ রঙ ফর্সাকারী
ক্রিমের খোঁজ পেলো। সেই ক্রিম ব্যবহার করে রাতারাতি পাল্টে গেলো তরুণীর ভাগ্য। রাস্তাঘাটের
ছেলেরা অবাক হয়ে তার দিকে তাকাতে লাগলো যারা এতদিন তাকে অবজ্ঞা করতো। একদিন তার স্বপ্নের
রাজপুত্র ময়ুরপংখি নাও ভিরালো তার ঘাটে। তার পর শুধু আনন্দের গল্প! কালো মেয়েটের ভাগ্য
পরিবর্তনের পুরো কৃতিত্ব রঙ ফর্সাকারী ক্রিমের!! সত্যি হোক কিংবা ভ্রান্তি, মানুষ এখন
ফরসা ত্বকে মোহগ্রস্ত। ছেলে কিংবা মেয়ের স্বপ্নের রানী বা রাজা কোন কালো ত্বকের কেউ
নয়। একটা ছেলের রঙিন চোখ খুঁজে ফিরে একটা ফর্সা সুন্দরী ললনা। তা হোক জীবন সঙ্গীনি
কিংবা বন্ধুত্ব করার জন্য। তেমনি একটা মেয়েও কখনোই কল্পনা করেনা যে একটা কালো ত্বকের
ছেলে তার জীবন সঙ্গী বা বন্ধু হবে। ছেলে মেয়ে কেউই চায়না কালো ত্বকের কারো সাথে জীবনে
জড়াতে। ছেলে কিংবা মেয়ে সবার অবচেতন মনের গহীনে লালন করে একটি সুন্দর ত্বকের বিপরীর
লিঙ্গের মানুষ। এটা শুধু বাংলাদেশ কিংবা ভারতে নয়, পৃথিবীর অনেক দেশেই। যদিও ভাগ্যের
লিখন না যায় খন্ডন। আর এ সুযোগ নিতে ভুল করেননি ব্যবসায়ীরা। তারা বিভিন্ন কৌশলে ত্বক
ফর্সা করার প্রলোভন দেখিয়ে উপস্থান করছে নিত্য নতুন উপকরণ। হাজির করছে নানান নামের
রং ফর্সা করা ক্রিমের পসরা। দেশী বিদেশী কসমেটিক কোম্পানিগুলো নিয়ে এল রঙ ফরসাকারী
ক্রিম। কয়েক দশক ধরে ধীরে ধীরে এর বাজার বাড়ল। একসময় সেলিব্রিটিরা এসব পণ্যের প্রচারে
নামলেন, বিক্রি উঠল তুঙ্গে। ভারতের গবেষণা সংস্থা গবেষণা সংস্থা ACNielsen এর মতে শুধু
ইন্ডিয়াতেই ২০১০ সালে এই বাজারের আর্থিক মূল্যমান ছিল ৪৩২ মিলিয়ন ডলার এবং প্রতি বছর
১৮% প্রবৃদ্ধি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। গত বছর দেশটিতে ফেয়ারনেস ক্রিম ব্যবহার করা হয়েছে
২৩৩ টন।
সম্ভবত ব্রিটিশরা উপমহাদেশে শাসন শুরু করবার পর থেকেই
এই ধারণা জন্মাতে শুরু করে যে, গায়ের রং ফর্সা মানেই সুন্দর। অবশ্য এরও আগে বর্ণপ্রথার
সুবাদে এই ধারণা জন্মায় যে ‘ব্রাহ্মণরা শুদ্ধ বিধায় সাদা এবং দলিত তথা নিম্ন বর্ণের
লোকজন অশুদ্ধ বিধায় কালো’। ধীরে ধীরে ফর্সা হওয়ার ধারণা এত ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করে
যে এশিয়া মহাদেশ কিংবা আরেকটু স্পষ্ট করে বললে ভারতীয় উপমহাদেশ ফেয়ারনেস ক্রিম কোম্পানিগুলোর
সবচাইতে বড় বাজারে পরিণত হয়েছে। উপমহাদেশের নামজাদা সব অভিনেতা-অভিনেত্রীই ফেয়ারনেস
ক্রিম কোম্পানিগুলোর মডেল হয়েছেন,যার ফলে এইসব ফেয়ারনেস ক্রিম নারীসমাজের মধ্যে তুমুল
জনপ্রিয়। ফেয়ারনেস ক্রিম শুধু নারীতেই থেমে থাকেনি বরং এখন পুরুষের জন্যও ফেয়ারনেস
ক্রিম পাওয়া যায়। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বেশ জনপ্রিয় একজন ক্রিকেটার এই মিডিয়া ক্যাম্পেইনে
আছেন। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, অধিকাংশ রঙ ফরসাকারী পণ্যে মারকিউরাস ক্লোরাইডের মতো
অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস ব্যবহার করা হয়, যা ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সম্প্রতি
ভারতের সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের (সিএসই) পলিউশন মনিটরিং ল্যাব-এ
পরীক্ষা করা সবকটি ফেয়ারনেস ক্রিমেই পারার পরিমাণ পাওয়া গিয়েছে ৪৪ শতাংশেরও বেশি। বাজারে
প্রথম সারির মোট ১৪টি ফেয়ারনেস ক্রিমের উপর এই পরীক্ষা চালানো হয়। সিএসই-র ডিরেক্টর
জেনারেল সুনীতা নারায়ণ বলেছেন, "কসমেটিক্সে পারার ব্যবহার সম্পূর্ণ ভাবে অনৈতিক
ও বেআইনি।"
প্রশ্ন জাগে এসব ক্রিম কি সত্যিই কোনো কাজে আসে? প্রাথমিক
ভাবে এইসব ফেয়ারনেস ক্রিম ব্যবহারের ফলে সাময়িক ভাবে ত্বকের রং কিছুটা ফর্সা হলেও দীর্ঘমেয়াদে
ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি মোটামুটি নিশ্চিত। ত্বকের জন্য ক্ষতিকর এই সকল রং ফর্সাকারী
ক্রিম ব্যবহারকারীরা ভাবতের পারেন এই ক্রিম ব্যবহারের ফলে তাদের ত্বকের রঙে পরিবর্তন
এসেছে। আগের চেয়ে একটু ফরসা দেখা যাচ্ছে (আসলে ফ্যাকাসে)। কিন্তু এর বিনিময়ে কতটুকু
মূল্য দিয়ে যাচ্ছেন, সেটা জানা আছে তো? সকলের জানা দরকার যে রঙ ফরসাকারী ক্রিম সবার
জন্যই ক্ষতিকর।ফর্সা হওয়ার ক্রিম আপনার জীবনে ডেকে আনতে পারে চরম বিপর্যয়। এমনটাই জানাচ্ছেন
বৈজ্ঞানিকরা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রায় সব ফর্সা হওয়ার ক্রিমেই মেশানো থাকে পারা।
যার থেকে ত্বকের অ্যালার্জি, র্যাশ এমনকি ক্যানসারও হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে,
অধিকাংশ রঙ ফরসাকারী পণ্যে মারকিউরাস ক্লোরাইডের মতো অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস ব্যবহার
করা হয়, যা ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। মারকিউরাস ক্লোরাইড মূলত ব্লিচের কাজ করে,
আর এটাই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ ধরনের ক্রিম নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক পাতলা
হয়ে যায় ও টানটান ভাব হারায়। এতে ব্রণও সৃষ্টি হয়। এছাড়াও ফেয়ারনেস ক্রিম ত্বককে ফটোসেনসেটিভ
বা আলোক সংবেদনশীল করে তোলে। তাই এ ধরনের ত্বকে সূর্যের রশ্মি তুলনামূলক বেশি প্রভাব
ফেলে এবং গুটি ও খুজলি তৈরি হয়। এছাড়া অনেক সংবেদনশীল ত্বকে অয়েল প্যাক, ফেশিয়াল কিংবা
ম্যাসাজ করলেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একটি প্রশ্ন তাহলে রয়েই
যায়, সত্যিই কী ত্বকের রঙ পরিবর্তন করার জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ কোনো পদ্ধতি নেই? হ্যাঁ,
আছে। জাপান ও ইউরোপে বর্তমানে বেশ কিছু কার্যকরী ক্রিম পাওয়া যাচ্ছে, তবে এগুলোকে আসলে
ক্রিম না বললে উচ্চমূল্যের ওষুধ বলাই ভালো, যা মেলানিনকে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ছাড়াই প্রভাবিত করতে পারে। অবশ্য এসব ব্যবহারের আগে ডাক্তারের যথাযথ নির্দেশনা প্রয়োজন।
বর্তমানে মেয়েদের পাশা পাশি রুষদের ফেয়ারনেস নিয়েও বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছে কোম্পানিগুলো।
কিন্তু মনে রাখা ভালো, পুরুষ ও নারীর ত্বকে খুব বেশি পার্থক্য নেই। উল্টো ছেলেদের ফেয়ারনেস
ক্রিমে অধিক পরিমাণে ব্লিচ ব্যবহার করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্রণ বেশি হওয়ার
সম্ভাবনা থাকে।
তার পরও অনেকে নিজের ত্বক ফরসা করার ত্যাগ হিসেবে
এ ক্ষতি মেনে নেন। তাই ফেয়ারনেস ক্রিমের মায়া তারা ছাড়তে পারেন না। কিন্তু তাদেরও জেনে
রাখা ভালো, ব্লিচিং শুধু সাময়িক ফরসা করতে পারে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ভালো ত্বকের জন্য
জরুরি পিগমেন্টেশন কমানো, যা ফেয়ারনেস ক্রিমের পক্ষে সম্ভব নয়। তা ছাড়া এটা মনে রাখা
ভালো যে ড্যামেজ ফরসা ত্বকের চেয়ে তুলনামূলক কম ফরসা নিখুঁত ত্বক অনেক বেশি আকর্ষণীয়
ও কাঙ্ক্ষিত। তা ছাড়া একজন নর বা নারী যদি শিক্ষা-মেধা সহ অন্যান্য গুণাবলি থাকে, তাহলে
তারা কেন ফেয়ারনেস ক্রিম ব্যবহার করবেন? তাহলে কি ফর্সা হওয়াটাই কি সব? সুতরাং সাত
দিনে ফর্সা হতে চান? টিভি বিজ্ঞাপনের চটকে ভোলার আগে দু-বার ভাবুন। এখনও সময় আছে। সতর্ক
হোন। তথাকথিত সুন্দরী হওয়ার আকাঙ্খা আপনাকে মারাত্মক সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে না
তো? কারণ সচেতনতার বিকল্প নাই। আজ থেকেই বিরত থাকুন তথা কথিত এই সকল রং ফর্সা করা ক্রীম
যার বেশীর ভাগ ত্বকের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর।
Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki,
Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks,
Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android
rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph,
Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার
কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে,
তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
04:35
::: Gaxon Health Care :::
মানসিক চাপ কার না রয়েছে। কিন্তু অনেকেই এই চাপ মোকাবিলা
করতে পারেন না। মানসিক চাপ প্রভাব ফেলে শরীরেও, দেখা দেয় নানা রোগ।
তা চাপ মানিয়ে নিতে
বা নেতিবাচক প্রভাবকে কমিয়ে আনতে চেষ্টা করা যায়। মেডিটেশন ও ইয়োগা এতে আপনাকে সহায়তা
করতে পারে।
মানসিক চাপজনিত অবস্থায় আমাদের দেহের ভেতর স্বয়ংক্রিয়ভাবে
কিছু হরমোন যেমন কর্টিসোল ও অ্যাড্রিনালিন নিঃসৃত হয় প্রচুর পরিমাণে। এসব হরমোন নিঃসরণের
কারণে শরীরে তাৎক্ষণিক কিছু প্রতিক্রিয়া হয়। যেমন রক্তচাপ বাড়ে, নাড়ির গতি বাড়ে, শ্বাস
দ্রুততর হয়, ঘাম হতে থাকে। মেডিটেশন ও ইয়োগা এর ঠিক উল্টো কাজটি করে। এতে শরীর ও মনকে
শিথিল অবস্থায় নিয়ে নির্দিষ্ট একটি বিষয় বা শব্দের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার বা চারদিকের
পরিবেশ ও চিন্তা থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার চেষ্টা করা হয়। এ জন্য নির্দিষ্ট
নিয়মে বিশেষ দেহভঙ্গির আসনচর্চা করতে হয়। এগুলো নিয়মিত চর্চায় শ্বাস ও নাড়ির গতি কমে,
রক্তচাপ স্থিত হয়, শরীর কার্যকরভাবে অক্সিজেন ব্যবহার করে, ঘাম কম হয়। এ ছাড়া অ্যাড্রেনাল
গ্রন্থি কম পরিমাণে কর্টিসোল হরমোন নিঃসরণ করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। স্বচ্ছভাবে
চিন্তা করার এবং মনোযোগের ক্ষমতা বাড়ে। উদ্বেগ, অনিদ্রা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। নিয়মিত
মেডিটেশন করলে ধূমপান, মাদকাসক্তির মতো খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করা সহজ হয়
Source:- Abp News,The
Stateman,Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothom alo technology, Times of India,
BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap,Techtune with Android,In
Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips,
Gaxon Health Care, www.gaxon.in
যদি এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো।
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
04:20
::: Gaxon Health Care :::
কয়েক ধাপ সিঁড়ি উঠলেন। এতেই হাঁপিয়ে গেলেন! এটি কি
কোনো শারীরিক সমস্যা, না অন্য কিছু। এ বিষয়ে কথা বললেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের
মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক খান আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠার তিনটি
প্রধান কারণ রয়েছে।
সেগুলো হলো— রক্তস্বল্পতা, ফুসফুসের কোনো রোগ এবং হৎপিণ্ডের কোনো
অসুখ। রক্তস্বল্পতায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের অন্যান্য লক্ষণের পাশাপাশি অল্পতেই হাঁপিয়ে
ওঠাও একটি লক্ষণ হতে পারে।
কারও কারও ক্ষেত্রে শ্বাসনালির বিভিন্ন রোগেও দেখা
দেয় অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠার সমস্যা। যাঁরা অ্যাজমা, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ
বা সিওপিডি প্রভৃতি অসুখে ভুগছেন, তাঁদের হতে পারে এমন সমস্যা। ফুসফুসে ফাইব্রোসিস
হয়ে যাঁদের ফুসফুসের প্রসারণ ক্ষমতা কমে যায়, তখনো অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠতে পারেন ।
আবার স্বল্প সময়ের কোনো ফুসফুসের অসুখ থেকেও এ সমস্যা
দেখা দিতে পরে।
হূৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, রক্তপ্রবাহে জটিলতার
কারণে ও হূৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালন কম হলে বুকে ব্যথা
অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠার সমস্যা হতে পারে।
চিনে নিন বিপদচিহ্ন
: অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠার সঙ্গে দ্রুতগতির হূৎস্পন্দন
এবং রক্তচাপ কমে যাওয়া
: চেহারা নীল হয়ে যাওয়া
: কথা বলার সময় এক নিঃশ্বাসে কথা শেষ করতে না পারা
: ঘোরের মধ্যে চলে যাওয়া
প্রতিকার ও প্রতিরোধ
অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠলে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন
হন। সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করলে হাসপাতালে গিয়ে অক্সিজেন নেওয়ার প্রয়োজনও হতে পারে।
: যাঁদের শীতকালে শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে বা শ্বাসকষ্টে
ভুগছেন, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শমতো শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা করানো উচিত।
: কোনো কিছুতে অ্যালার্জি থাকলে তা এড়িয়ে চলতে হবে।
: যদি বুকে চাপের সঙ্গে অল্প সময়ে হাঁপিয়ে ওঠার সমস্যা
হয়,
তাহলে হূৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখা উচিত।
রক্তস্বল্পতা এড়াতে যা করণীয়—
: খনিজসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে, অন্যান্য পুষ্টি উপাদানও
থাকতে হবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়।
: খালি পায়ে মাটিতে হাঁটা যাবে না।
: কৃমির ওষুধ খেতে পারেন।
: মেয়েদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তস্রাব
হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
: বয়স্কদের ক্ষেত্রে রক্তস্বল্পতা দেখা দিলেই দ্রুত
চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
Source:- Abp News,The
Stateman,Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothom alo technology, Times of India,
BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap,Techtune with Android,In
Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips,
Gaxon Health Care, www.gaxon.in
যদি
এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে
জানাতে পারো।
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
04:17
::: Gaxon Health Care :::
কখনো অতিরিক্ত চুল ঝরতে থাকলে বা মাথা টাক হতে শুরু
করলে সবাই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন বৈকি। এখন জেনে নেওয়া যাক কী কী কারণে অতিরিক্ত
চুল ঝরতে পারে।
—বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চুল পাতলা হওয়াটাই স্বাভাবিক।
চল্লিশোর্ধ্ব নারীদের হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার পর প্রকৃতিগতভাবেই চুল পাতলা হয়ে যায়।
পুরুষদের
.এন্ড্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এমনিতেই টাক হওয়ার প্রবণতা
থাকে, কারও একটু কম, কারও বেশি।
—টাক পড়ার ক্ষেত্রে বংশগত কারণও থাকতে পারে। সন্তান
জন্মের পর চুল পড়ার হার বেশি বেড়ে যায়।
—থাইরয়েডের সমস্যা, টাইফয়েড জ্বর এবং কিছু দীর্ঘমেয়াদি
রোগে চুল বেশি পড়তে পারে।
—কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় চুল পড়তে পারে।
—মাথায় ছত্রাক সংক্রমণ, খুশকির আক্রমণ, অপুষ্টি, রক্তশূন্যতা,
ভিটামিনের অভাব ইত্যাদি কারণও চুল বেশি পড়ার জন্য দায়ী। অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
এবং আকস্মিক কঠিন খাদ্য নিয়ন্ত্রণের সময় চুল পড়ে।
বেশির ভাগ চিকিৎসায় কিছুটা উন্নতি হলেও একেবারে আগের
অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। ২-৫ শতাংশ মিনস্কিডিল ব্যবহার করে বেশ উপকার পাওয়া যায়।
ইদানীং চুল প্রতিস্থাপন করা হয়, কিন্তু মনে রাখবেন, এটি যেমন ব্যয়বহুল, তেমনি অনেক
সময় বিপজ্জনক।
চুলের জীবনকাল
দেহের প্রতিটি কোষের মতো চুলেও একটি নির্দিষ্ট আয়ু
বা জীবনকাল আছে। একটি চুলের আয়ু সাধারণত দুই থেকে ছয় বছর। এরপর এটি এমনিই ঝরে যায়।
তাই প্রতিদিন অন্তত ১০০টি চুল ঝরে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক।
প্রতিরোধ
— বয়সের সঙ্গে চুলের রং পরিবর্তন হয়, এটা মেনে নিতে
শিখুন। কলপ, কৃত্রিম রং যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
— চুলের ধরন বুঝে শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন।
— কোঁকড়া চুল সোজা করার চেষ্টা না করাই ভালো। প্রয়োজনে
রাসায়নিকের পরিবর্তে রোলার ব্যবহার করুন।
— টেনে চুল বাঁধা ঠিক নয়। আস্তে চুল আঁচড়াবেন এবং
ভেজা চুল বেশি আঁচড়াবেন না। নরম থাকতে চুল ঠিক করুন। ব্রাশের চেয়ে দাঁতওয়ালা চিরুনি
ব্যবহার করা ভালো।
— পুষ্টিকর খাবার খান। প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ গ্রহণ
করুন। চুল খুশকিমুক্ত ও পরিষ্কার রাখুন।
Source:- Abp News,The
Stateman,Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothom alo technology, Times of India,
BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap,Techtune with Android,In
Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips,
Gaxon Health Care, www.gaxon.in
যদি
এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে
জানাতে পারো।
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
Tags:Hair,Health Care,tension,Tips,www.gaxon.in | 0
comments
Subscribe to:
Posts
(Atom)



.jpg)






