:: Gaxon_Info ::
Try To Better Service....
::Info
:: ::
::Bangla_Problem::
:: Follow Us ::
Online Page Viewing..
Search
Translate This Page in Any Language [ Break the Language ]
Showing posts with label Fever. Show all posts
Showing posts with label Fever. Show all posts
03:43
::: Gaxon Health Care :::
আগামীকাল ১৩ মার্চ, বিশ্ব কিডনি দিবস। কিডনি রোগ সম্পর্কে
অনেকেই সঠিকভাবে জানেন না। এই রোগের লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় নিয়ে কথা বলেছেন বারডেম
জেনারেল হাসপাতালের নেফ্রোলজি (কিডনি রোগ) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সারোয়ার ইকবাল।
কেন হয় কিডনির রোগ?
কিডনি রোগের প্রধানতম কারণ কিডনির প্রদাহ। উচ্চরক্তচাপ
ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে তা থেকেও হতে পারে এই রোগ। আবার যাঁদের রক্তচাপ অতিরিক্ত
কম থাকে, তাঁদেরও হঠাৎ বিকল হয়ে যেতে পারে কিডনি। তবে এ ক্ষেত্রে রোগটি সহজে নিরাময়যোগ্য।
কীভাবে বুঝবেন কিডনির সমস্যা?
কিডনির রোগীদের শারীরিক দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমি,
পায়ে পানি আসা—এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শুরুর দিকে তেমন কোনো
লক্ষণ থাকে না। যখন সমস্যা দেখা দেয়, তখন হয়তো দুটি কিডনিই সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায়
এবং তা থেকে নিরাময়ের জন্য তেমন কিছু করার থাকে না। তাই কিডনি ভালো আছে কি না তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার
মাধ্যমে জেনে নেওয়া উচিত। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে রয়েছে প্রস্রাব পরীক্ষা ও রক্তে
ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণ নির্ণয় করা।
যাঁরা কিডনির সমস্যায় ভুগছেন
প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে পরিমাণমতো। প্রতিদিন
একটি ডিমের সাদা অংশ, দুই টুকরো মাছ এবং দুই টুকরো মুরগির মাংস খাবেন। আমিষসমৃদ্ধ খাবার
এর চেয়ে বেশি খাওয়া যাবে না। কামরাঙা খাওয়া চলবে না একদমই। এটি আপনার কিডনিকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত
করবে। যাঁদের কিডনির সমস্যা খুব বেশি, তাঁদের অন্যান্য ফলের ব্যাপারেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।
অনেকের পা ফুলে যায়, তাঁরা এক দিনে এক লিটারের বেশি পানি পান করতে পারবেন না।
কারা রয়েছেন কিডনির রোগের ঝুঁকিতে?
বয়স্ক ব্যক্তিরা রয়েছেন ঝুঁকিতে। ৩৫ বছর বয়সের পর
থেকে প্রতিবছরই কিডনির কার্যক্ষমতা কিছুটা কমতে থাকে। ৭০ বছর নাগাদ তা অত্যন্ত কমে
যায়, আর তাই বেড়ে যায় কিডনির রোগের ঝুঁকি। যাঁদের ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
নেই, তাঁরাও রয়েছেন ঝুঁকিতে। আগুনে পোড়া, ডায়রিয়া বা অতিরিক্ত বমি হওয়ার কারণে রক্তচাপ
কমে যায়, তখন কিডনি রোগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
প্রতিরোধ করুন
পর্যাপ্ত পানি পান করুন। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দৈনিক
আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। আবার যাঁরা খুব বেশি দৈহিক পরিশ্রম করেন,
তাঁদের প্রতিদিনের পানির চাহিদা আরও বেশি। আর যাঁদের প্রস্রাবে সংক্রমণ হয়, তাঁদের
প্রচুর পানি পান করা উচিত। কামরাঙা খাওয়ার ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ
নিয়ন্ত্রণে রাখুন। আপনার কিডনি ভালো আছে কি না তা জানার জন্য অন্তত একবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা
করান।
Source:- Abp News,The
Stateman,Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothom alo technology, Times of India,
BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap,Techtune with Android,In
Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips,
Gaxon Health Care, www.gaxon.in
যদি
এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে
জানাতে পারো।
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
03:28
::: Gaxon Health Care :::
শীত পেরিয়ে এখন গরম পড়তে শুরু করেছে। আবহাওয়ার এই
পরিবর্তনের সময়ে দেখা দেয় নানা অসুখ-বিসুখ। এ সময়ে ছড়ায় এমনি একটি মারাত্মক রোগের নাম
টাইফয়েড। টাইফয়েড রোগ পানিবাহিত। সালমনেলা টাইফি ও প্যারাটাইফি জীবাণু থেকে টাইফয়েড
রোগ হয়ে থাকে।
টাইফয়েডের লক্ষণ
প্রচণ্ড মাথাব্যথা, গলাব্যথা, পেটব্যথা, শরীর দুর্বল
হয়ে যাওয়া, জ্বরে শরীরের তাপমাত্রা ১০৩-১০৪ ফারেনহাইট, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, চামড়ায়
লালচে দানা দেখা দেওয়া টাইফয়েডের প্রাথমিক লক্ষণ। অনেক ক্ষেত্রেই এই জ্বর প্রথম সপ্তাহে
ধরা পড়ে না। দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে জ্বর ধরা পড়ে এবং মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
ওষুধ চলা অবস্থায়ও সপ্তাহ খানেক জ্বর থাকতে পারে।
টাইফয়েডের কারণ
টাইফয়েডের অন্যতম কারণ হলো দূষিত খাবার গ্রহণ। এ ছাড়া
আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে এবং পানির মাধ্যমেও এই রোগের জীবাণু ছড়ায়। এ রোগের
জটিলতাও নেহাত কম নয়। রক্তক্ষরণ, অগ্নাশয়ে প্রদাহ, মেরুদণ্ডে সংক্রমণ এমনকি কিডনিতেও
বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে টাইফয়েড থেকে।
কী করবেন
টাইফয়েড হলে কী করতে হবে সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন
চিকিত্সক ড. দীনা শারমিন—
রক্ত পরীক্ষা
টাইফয়েড পানিবাহিত জীবাণুর মাধ্যমে ছড়ায়। তাই টাইফয়েড
হয়েছে কি না, তা বুঝতে সবার আগে অসুস্থ ব্যক্তির রক্ত পরীক্ষা করতে হবে।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা
সব সময় পরিষ্কার পোশাক পরতে হবে। নিরাপদ ও বিশুদ্ধ
পানি পান করতে হবে। অবশ্যই হাত ভালোভাবে ধুতে হবে। ঘরের জিনিসপত্র নিয়মিত পরিষ্কার
রাখতে হবে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহূত জিনিসপত্র আলাদা করে রাখতে হবে।
পানি, খাবারে সতর্কতা
পানি ফুটিয়ে পান করতে হবে। খাবার গরম করে খেতে হবে।
বাইরের খাবার খেলে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। অপরিষ্কার শাক-সবজি ও কাঁচা-ফলমূল খাওয়া
থেকে বিরত থাকতে হবে।
বাসস্থান ও টয়লেটের সুব্যবস্থা
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার
করতে হবে। লক্ষ রাখতে হবে কোনোভাবেই যেন টয়লেটে ময়লা বা পানি জমে না থাকে। আক্রান্ত
ব্যক্তির টয়লেট নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে খোলামেলা ও পরিষ্কার
বাসায় রাখতে হবে।
টাইফয়েড হয়েছে কি না, তা যেমন রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে
নিশ্চিত হতে হবে, তেমনি ওষুধ খাওয়ার জন্যও অবশ্যই রোগীকে একজন চিকিত্সকের কাছে নিয়ে
যেতে হবে।
Source:- Abp News,The
Stateman,Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothom alo technology, Times of India,
BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap,Techtune with Android,In
Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips,
Gaxon Health Care, www.gaxon.in
যদি
এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে
জানাতে পারো।
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
Subscribe to:
Posts
(Atom)

