:: Gaxon_Info ::
Try To Better Service....
::Info
:: ::
::Bangla_Problem::
:: Follow Us ::
Online Page Viewing..
Search
Translate This Page in Any Language [ Break the Language ]
Showing posts with label Diet. Show all posts
Showing posts with label Diet. Show all posts
10:29
অনেকদিন ধরে সিগারেট
খাওয়ার অভ্যেস থাকলে মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাতলা হয়ে যেতে থাকে
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি
ওয়েবসাইটে সাম্প্রতিক এক গবেষণার ভিত্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
গবেষণায় জানা গেছে— ধূমপান
মস্তিষ্কের বাইরের স্তর বা ‘কর্টেক্স’ পাতলা করে ফেলে। মস্তিষ্কের এই অংশ স্মৃতি, ভাষা এবং উপলব্ধির বিষয়গুলো
সঙ্গে যুক্ত। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে চিন্তাশক্তি কমতে থাকে.....
10:17
Gaxon Health Care
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, শরীরে পুষ্টির অভাব ইত্যাদি কারণে চুল পড়ে যেতে পারে। এছাড়াও কিছু কিছু বাহ্যিক কারণেও চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। আবার বদঅভ্যাস, ‘হেয়ার স্টাইলিং’ ইত্যাদি কারণেও চুল পড়ে।
স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি সাইটে চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার কিছু কারণ উল্লেখ করা হয়।
গরম পানিতে গোসল করা......
04:05
:: Gaxon Health Care :::
আমাদের দেশে দাঁতের ক্ষয় বা গর্ত হওয়াকে অনেকেই দাঁতের
পোকা বলে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা শত চেষ্টায়ও দাঁতের পোকার অস্তিত্ব খুঁজে পাননি।
তাহলে দাঁতের এই পোকা আসলে কী? সাধারণত চিনি বা মিষ্টিজাতীয়
খাদ্য আমাদের মুখের ভেতরে একধরনের জীবাণুর সঙ্গে মিশে অ্যাসিড তৈরি করে। এই অ্যাসিড
দাঁতের ওপরের শক্ত আবরণ এনামেলকে ক্ষয় করে এবং পরে গর্তের সৃষ্টি করে। এ রোগের নাম
ডেন্টাল ক্যারিজ।
চিনিমিশ্রিত দুধ বা অন্যান্য মিষ্টিজাতীয় খাদ্য গ্রহণের
পর দাঁতের গায়ে এনামেলের ওপর যে আবরণ সৃষ্টি হয়, তার নাম পেলিক্যাল। এই পেলিক্যালকেই
বলা হয় ডেন্টাল প্ল্যাক বা দন্তমল। লাখ লাখ জীবাণুযুক্ত দন্তমলই শিশুদের ডেন্টাল ক্যারিজ
বা দাঁত ক্ষয় রোগের প্রধান কারণ।
শিশুদের দাঁত ওঠার পর যেকোনো সময় দাঁত ক্ষয় হতে পারে।
এ থেকে ঘন ঘন জ্বর, দাঁতব্যথা, টনসিলের প্রদাহ ইত্যাদি হয়। দাঁতে পোকা হওয়া সত্যি শিশুদের
জন্য বড় একটি সমস্যা।
রক্ষা পাওয়ার উপায়
দাঁত শক্ত ব্রাশ দিয়ে জোরে জোরে ঘষলেই দন্তমল পরিষ্কার
হয় না। এর জন্য সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত ও মাড়ি ব্রাশ করার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। অর্থাৎ,
দাঁত ও মাড়ির ওপর-নিচে ও চারপাশে সঠিক পদ্ধতিতে নিয়মিত দুবেলা পরিষ্কার করতে হবে যেন
খাদ্যদ্রব্য এর গায়ে বা মাড়ির ফাঁকে লেগে না থাকে।
দাঁত ও মাড়ি পরিষ্কার না থাকলে বহুদিন জমে থাকা দন্তমল
নরম মাড়িতে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে এবং সামান্য আঘাতেই রক্ত বের হয়ে আসতে পারে। কোনো
কিছু দেখা বা বোঝার আগেই এই প্রদাহ শুরু হয়ে যেতে পারে। তাই হঠাৎ একদিন সকালে দাঁত
ব্রাশ করার সময় শিশু দাঁতব্যথায় কাঁদতে শুরু করলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। যেসব শিশু ফিডার
দিয়ে দুধ খায় বা ঘুমের মধ্যেও ফিডার মুখে দিয়ে রাখে, তাদের মধ্যে দাঁত ক্ষয় বেশি হয়।
শিশুদের চিনিজাতীয় বা মিষ্টি খাদ্য খাওয়ার পর কুলকুচা
করা বা প্রয়োজনে দাঁত ব্রাশ করার অভ্যাস করান। সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ করতে শেখান।
বেশির ভাগ ডেন্টাল ক্যারিজ খালি চোখে দেখা যায় না। ব্যথা শুরু হলেই চিকিৎসক দেখানো
ছাড়া নিয়মিত মুখ ও দাঁত পরীক্ষা করানো উচিত; বছরে অন্তত দুবার।
দুধদাঁত পড়ে যাবে বলে অনেকের ধারণা, এর বেশি যত্ন
নেওয়ার দরকার নেই। কিন্তু দুধদাঁত সুস্থভাবে না পড়লে স্থায়ী দাঁত সঠিক অবস্থানে আসে
না।
Source:- Abp News,The
Stateman,Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothom alo technology, Times of India,
BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap,Techtune with Android,In
Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips,
Gaxon Health Care, www.gaxon.in
যদি
এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে
জানাতে পারো।
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
03:47
::: Gaxon Health Care :::
সুস্থ, স্বাভাবিক জীবনের জন্য দরকার একটি সুস্থ হূদ্যন্ত্র।
কোনো রকম পূর্বাভাস ছাড়াই হূদেরাগ যেকোনো সময় কেড়ে নেয় জীবন। সারা বিশ্বে হূদরোগে আক্রান্ত
হয়ে প্রতি বছর প্রায় দুই কোটি লোকের মৃত্যু হয়। হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পর প্রায় ৪০ শতাংশ
রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার আগেই মৃত্যুবরণ করেন। তাই আক্রান্ত হওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক
ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
হূদেরাগ কেন হয়, কাদের হয়
পরিবারে কারও হূদেরাগ থাকলে
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ
অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা এবং অলস জীবনযাত্রা
অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ, উৎকণ্ঠা
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। এই বিষয়গুলো একজন মানুষের
হূদেরাগের ঝুঁকি বা আশঙ্কা অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়। একবার ভেবে দেখুন, এর কোনোটি বা একাধিক
আপনার জন্যও প্রযোজ্য কি না।
নিয়ম মেনে চলুন: যদি আপনি ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় পড়েও
যান, তবু হতাশ হওয়ার বা ভেঙে পড়ার কিছু নেই। আপনি একটু সচেতন হলেই হূদেরাগকে ঠেকাতে
পারবেন। তার জন্য আপনার চাই একটি সুশৃঙ্খল ও সুনিয়ন্ত্রিত জীবন।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। রক্তে উচ্চ শর্করা
রক্তনালিগুলোতে নেতিবাচক পরিবর্তন আনে যা হূদেরাগকে ত্বরান্বিত করে।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নিয়মিত রক্তচাপ
পরীক্ষা করুন, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনুন, নিয়মিত ওষুধ খান।
ধূমপান, তামাক পাতা, জর্দা, গুল ইত্যাদি চিরতরে
পরিহার করুন। তামাকের নানা রকম বিষাক্ত পদার্থের প্রতিক্রিয়ায় ধমনি, শিরার নানা রকম
সমস্যা হয়।
অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন। ওজন বেড়ে গেলে হূদ্যন্ত্রকে
অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়।
হূদ্যন্ত্রকে সুস্থ রাখার জন্য ব্যায়ামের বিকল্প
নেই। প্রতিদিন হাঁটুন, কায়িক শ্রমের অভ্যাস গড়ে তুলুন।
খাবারে অতিরিক্ত লবণ পরিহার করতে হবে।
কম চর্বি ও কম কোলস্টেরলযুক্ত খাবার গ্রহণ করতে
হবে। এর পরিবর্তে শাকসবজি, ফলমূল ও আঁশযুক্ত খাবার বেছে নিন।
অতিরিক্ত রাগ, উত্তেজনা, ভীতি এবং মানসিক চাপ এড়িয়ে
চলুন।
Source:- Abp News,The
Stateman,Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothom alo technology, Times of India,
BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap,Techtune with Android,In
Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips,
Gaxon Health Care, www.gaxon.in
যদি
এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে
জানাতে পারো।
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
03:43
::: Gaxon Health Care :::
আগামীকাল ১৩ মার্চ, বিশ্ব কিডনি দিবস। কিডনি রোগ সম্পর্কে
অনেকেই সঠিকভাবে জানেন না। এই রোগের লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় নিয়ে কথা বলেছেন বারডেম
জেনারেল হাসপাতালের নেফ্রোলজি (কিডনি রোগ) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সারোয়ার ইকবাল।
কেন হয় কিডনির রোগ?
কিডনি রোগের প্রধানতম কারণ কিডনির প্রদাহ। উচ্চরক্তচাপ
ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে তা থেকেও হতে পারে এই রোগ। আবার যাঁদের রক্তচাপ অতিরিক্ত
কম থাকে, তাঁদেরও হঠাৎ বিকল হয়ে যেতে পারে কিডনি। তবে এ ক্ষেত্রে রোগটি সহজে নিরাময়যোগ্য।
কীভাবে বুঝবেন কিডনির সমস্যা?
কিডনির রোগীদের শারীরিক দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমি,
পায়ে পানি আসা—এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শুরুর দিকে তেমন কোনো
লক্ষণ থাকে না। যখন সমস্যা দেখা দেয়, তখন হয়তো দুটি কিডনিই সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায়
এবং তা থেকে নিরাময়ের জন্য তেমন কিছু করার থাকে না। তাই কিডনি ভালো আছে কি না তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার
মাধ্যমে জেনে নেওয়া উচিত। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে রয়েছে প্রস্রাব পরীক্ষা ও রক্তে
ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণ নির্ণয় করা।
যাঁরা কিডনির সমস্যায় ভুগছেন
প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে পরিমাণমতো। প্রতিদিন
একটি ডিমের সাদা অংশ, দুই টুকরো মাছ এবং দুই টুকরো মুরগির মাংস খাবেন। আমিষসমৃদ্ধ খাবার
এর চেয়ে বেশি খাওয়া যাবে না। কামরাঙা খাওয়া চলবে না একদমই। এটি আপনার কিডনিকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত
করবে। যাঁদের কিডনির সমস্যা খুব বেশি, তাঁদের অন্যান্য ফলের ব্যাপারেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।
অনেকের পা ফুলে যায়, তাঁরা এক দিনে এক লিটারের বেশি পানি পান করতে পারবেন না।
কারা রয়েছেন কিডনির রোগের ঝুঁকিতে?
বয়স্ক ব্যক্তিরা রয়েছেন ঝুঁকিতে। ৩৫ বছর বয়সের পর
থেকে প্রতিবছরই কিডনির কার্যক্ষমতা কিছুটা কমতে থাকে। ৭০ বছর নাগাদ তা অত্যন্ত কমে
যায়, আর তাই বেড়ে যায় কিডনির রোগের ঝুঁকি। যাঁদের ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
নেই, তাঁরাও রয়েছেন ঝুঁকিতে। আগুনে পোড়া, ডায়রিয়া বা অতিরিক্ত বমি হওয়ার কারণে রক্তচাপ
কমে যায়, তখন কিডনি রোগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
প্রতিরোধ করুন
পর্যাপ্ত পানি পান করুন। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দৈনিক
আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। আবার যাঁরা খুব বেশি দৈহিক পরিশ্রম করেন,
তাঁদের প্রতিদিনের পানির চাহিদা আরও বেশি। আর যাঁদের প্রস্রাবে সংক্রমণ হয়, তাঁদের
প্রচুর পানি পান করা উচিত। কামরাঙা খাওয়ার ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ
নিয়ন্ত্রণে রাখুন। আপনার কিডনি ভালো আছে কি না তা জানার জন্য অন্তত একবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা
করান।
Source:- Abp News,The
Stateman,Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothom alo technology, Times of India,
BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap,Techtune with Android,In
Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips,
Gaxon Health Care, www.gaxon.in
যদি
এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে
জানাতে পারো।
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
03:36
::: Gaxon Health Care :::
হাঁটতে গেলেই টের পাচ্ছেন পায়ের গোড়ালিতে বেশ ব্যথা।
অনেকটা কাঁটা বিঁধলে যে রকম হয় তেমন। আবার শীতে তো বটেই, সারা বছর পা ফাটার সমস্যা
আছে। এ বিষয়ে নানা পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের
(পঙ্গু হাসপাতাল) সহকারী অধ্যাপক মনিরুল হক।
কেন হয় গোড়ালিতে ব্যথা?
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ ধরনের ব্যথার নির্দিষ্ট কোনো
কারণ থাকে না। তবে ক্যালকেনিয়ান স্পার ও প্যান্টার ফাসাইটিস নামক অসুখে গোড়ালিতে
ব্যথা হতে পারে। পুরু ব্যান্ডের মতো একটি অংশের সাহায্যে পায়ের গোড়ালির হাড় পায়ের
পাতার অন্যান্য অংশের সঙ্গে লাগানো থাকে, সেই ব্যান্ডটি কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে
প্যান্টার ফাসাইটিস নামক রোগ হয়। হাঁটতে গিয়ে বা দৌড়াতে গিয়ে বা কোনো কারণে হঠাৎ
ব্যথা লেগে এমনটা হতে পারে। বয়সজনিত কারণেও কারও কারও এমন হয়। আর ক্যালকেনিয়ান স্পার
নামক রোগটিতে পায়ের ক্যালকেনিয়াম নামক হাড়ে খানিকটা বাড়তি হাড় তৈরি হয়, যার ফলে
গোড়ালিতে ব্যথা করতে পারে।
কাদের হয় গোড়ালির ব্যথা?
উচ্চতার তুলনায় ওজন বেশি এবং যাঁরা ডায়াবেটিসে ভুগছেন,
সাধারণত তাঁদেরই এ ধরনের ব্যথা বেশি হয়ে থাকে। মেয়েদের মধ্যে এ ধরনের সমস্যা বেশি হয়ে
থাকে, তবে যে কেউই ভুগতে পারেন গোড়ালির ব্যথায়।
কী করবেন গোড়ালিতে ব্যথা হলে?
নরম স্যান্ডেল ব্যবহার করুন। এমন জুতো পরুন, যা আপনার
গোড়ালিকে পায়ের আঙুলের থেকে কিছুটা উঁচুতে রাখবে। ব্যথা কমানোর জন্য ব্যথানাশক ওষুধ
খাওয়া যেতে পারে। আক্রান্ত স্থানে গরম সেঁক দিতে পারেন। সমস্যা বেশি মনে হলে চিকিৎসকের
পরামর্শ নিন। প্রয়োজনে আপনাকে ফিজিওথেরাপি নিতে হতে পারে।
পায়ের গোড়ালি অতিরিক্ত ফাটছে?
শীতকালে অনেকেরই গোড়ালি ফাটে। কারও কারও আবার সারা
বছরই গোড়ালি ফাটার সমস্যা থাকে। ফাটা গোড়ালির কারণেও হতে পারে ব্যথা। ফাটা গোড়ালি
সহজেই জীবাণুর দ্বারা সংক্রমণ হতে পারে। এটি প্রতিরোধ করতে পা পরিষ্কার রাখতে হবে।
পায়ের গোড়ালিতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।
কিছু সতর্কতা
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। উচ্চতার তুলনায় যদি আপনার ওজন
বেশি থাকে, তাহলে তা কমাতে চেষ্টা করুন। খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রা পরিবর্তনের মাধ্যমে
অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করতে হবে।
Source:- Abp News,The
Stateman,Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothom alo technology, Times of India,
BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap,Techtune with Android,In
Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips,
Gaxon Health Care, www.gaxon.in
যদি
এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে
জানাতে পারো।
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
03:10
::: Gaxon Health Care :::
চোখের নিচে কালি নিয়ে দুশ্চিন্তার
শেষ নেই। এই চোখের কালি দূর করতে কত কিছুই না করলেন। একটু কমলেও আবার আগের মতো হয়ে
যায়। তাহলে উপায়? পরামর্শ দিয়েছেন মিডফোর্ড হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক
শামসুল হক।
এর কারণ
জন্মগত
নিদ্রাহীনতা
অ্যালার্জি
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
রক্তস্বল্পতা
গর্ভাবস্থা বা ঋতুচক্রের সময়
বয়সের প্রভাব
অনেক সময় যকৃতের সমস্যা
সমস্যা দূর করতে
পরিমিত ঘুমানোর অভ্যাস। অন্তত
সাত-আট ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।
ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এমন ওষুধ
পরিহার করতে হবে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ
পানি পান করুন। তবে রাতে ঘুমানোর আগে বেশি পানি খাওয়া অনুচিত।
চোখ কচলানো একেবারে বাদ দিন।
চোখে ঠান্ডা সেঁক দিতে পারেন।
মাথার নিচে অতিরিক্ত বালিশ
ব্যবহার করতে পারেন। এটি অনেক সময় চোখের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে।
প্রচুর সবুজ মৌসুমি শাকসবজি
আর ফলমূল খান।
ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।
দুশ্চিন্তা আর মানসিক চাপ
থেকে দূরে থাকুন।
রোদে বাইরে বের হলে রোদচশমা
ব্যবহার করতে পারেন।
ঘরে বসে সহজেই আপনি প্রাকৃতিক
উপায়ে চোখের নিচের কালি দূর করতে পারেন।
পাতলা করে কাটা শসা চোখে দিয়ে
১০ থেকে ১৫ মিনিট চোখ বন্ধ রাখুন।
ব্যবহূত টি ব্যাগ ফ্রিজে রেখে
সকালে ১০ থেকে ১৫ মিনিট চোখে রাখুন।
পাতলা করে কাটা আলুর টুকরা
ফ্রিজে রেখে চোখে রাখুন।
আলু ও শসা সমপরিমাণে মিশিয়ে
চোখের চারপাশে ক্রিম হিসেবে লাগাতে পারেন।
টমেটোর রস অনেক ক্ষেত্রে উপকারী।
কখন চিকিৎসককে দেখানো জরুরি
চোখের কালো দাগ এবং ফোলা যদি
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে এবং দৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন
হতে হবে। অযথা বাজারের বাহারি ক্রিমে আকৃষ্ট হবেন না। এতে উল্টো হিতে বিপরীত হতে পারে।
নিয়মিত নিজের যত্ন নিন, হাসিখুশি
থাকুন।
Source:- Abp News,The
Stateman,Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothom alo technology, Times of India,
BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap,Techtune with Android,In
Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips,
Gaxon Health Care, www.gaxon.in
যদি
এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে
জানাতে পারো।
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
03:02
::: Gaxon Health Care :::
সারা বিশ্বে আবাদ হওয়ার দিক
থেকে ৪ নম্বরে রয়েছে যে সবজিটি, সেটি হলো শসা। শসার রয়েছে হরেক গুণ। রূপচর্চা ও মেদ
নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপযোগিতা আছে এই সহজলভ্য সবজির।
শসার হাজার গুণের মধ্যে ১৪টি
গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন খাদ্য বিশেষজ্ঞরা। আসুন, একবার নজর বোলাই:
দেহের পানিশূন্যতা দূর করে
ধরুন আপনি এমন কোথাও আছেন, যেখানে
হাতের কাছে পানি নেই, কিন্তু শসা আছে। বড়সড় একটা শসা চিবিয়ে খেয়ে নিন। পিপাসা মিটে
যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন চনমনে।কারণ, শসার ৯০ শতাংশই পানি।
দেহের ভেতর-বাইরের তাপ শোষক
কখনো কখনো আপনি শরীরের ভেতর-বাইরে
প্রচণ্ড উত্তাপ অনুভব করেন। দেহে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। এ অবস্থায় একটি শসা খেয়ে নিন।এ
ছাড়া সূর্যের তাপে ত্বকে জ্বালা অনুভব করলে শসা কেটে ত্বকে ঘষে নিন। নিশ্চিত ফল পাবেন।
বিষাক্ততা দূর করে
শসার মধ্যে যে পানি থাকে তা
আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে অনেকটা অদৃশ্য ঝাটার মতো কাজ করে। নিয়মিত
শসা খাওয়ায় কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়।
প্রাত্যহিক ভিটামিনের শূন্যতা
পূরণ করে
প্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের
দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের
ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে।
ত্বকবান্ধব খনিজের সরবরাহকারী
শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম,
ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে, যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ জন্য ত্বকের
পরিচর্যায় গোসলের সময় শসা ব্যবহার করা হয়।
হজম ও ওজনহ্রাসে সহায়ক
শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রার
ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা আদর্শ
টনিক হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা স্যুপ ও সালাদে বেশি বেশি শসা ব্যবহার
করবেন। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি
কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়।
চোখের জ্যোতি বাড়ায়
সৌন্দর্যচর্চার অংশ হিসেবে অনেকে
শসা গোল করে কেটে চোখের পাতায় বসিয়ে রাখেন।এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত
হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে।চোখের প্রদাহপ্রতিরোধক উপাদান প্রচুর পরিমাণে
থাকায় ছানি পড়া ঠেকাতেও এটি কাজ করে।
ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে
শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল,
ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল—এ তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে। জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ
বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক
রয়েছে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা
রাখে
ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি দেয়,
কোলস্টেরল কমায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
মুখ পরিষ্কার রাখে
দুর্গন্ধযুক্ত সংক্রমণে আক্রান্ত
মাড়ির চিকিৎসায় শসা দারুণ কাজ করে। গোল করে কাটা এক স্লাইস শসা জিহ্বার ওপরে রেখে সেটি
টাকরার সঙ্গে চাপ দিয়ে আধা মিনিট রাখুন। শসার সাইটোকেমিক্যাল এর মধ্যে বিশেষ বিক্রিয়া
ঘটিয়ে আপনার মুখের জীবাণু ধ্বংস করবে। সজীব হয়ে উঠবে আপনার নিঃশ্বাস।
চুল ও নখ সতেজ করে
শসার মধ্যে যে খনিজ সিলিকা থাকে
তা আমাদের চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে। এ ছাড়া শসার সালফার ও সিলিকা চুলের
বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
গেঁটেবাত থেকে মুক্তি
শসায় প্রচুর পরিমাণে সিলিকা
আছে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নেমে আসে।
এতে গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
মাথাধরা থেকে নিষ্কৃতি
ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের
মাথা ধরে। শরীর ম্যাজম্যাজ করে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার আছে। তাই ঘুমাতে
যাওয়ার আগে কয়েক স্লাইস শসা খেয়ে নিলে ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর এ সমস্যা থাকবে না।
কিডনি সুস্থ রাখে
শরীরের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা
ঠিক রাখে শসা। এতে কিডনি থাকে সুস্থ ও সতেজ।
Source:- Abp News,The
Stateman,Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothom alo technology, Times of India,
BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap,Techtune with Android,In
Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips.
যদি
এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে
জানাতে পারো।
::: Thanks to visit on Gaxonn :::
Tags:Diet,Health Care,Life,Sosa,Tips,www.gaxon.in | 0
comments
Subscribe to:
Posts
(Atom)







