Search

Translate This Page in Any Language [ Break the Language ]

::: Gaxon Health_Care :::

ঘুমোতে যাওয়ার আগে সম্ভব হলে স্নান
করে নিন৷ তা না হলে অবশ্যই হাত পা ভাল
করে ধুয়ে নিন, দুই হাতের
কবজি ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে নিন৷ ঘাড়ে,
গলায় জল দিন৷
বিছানার কাছে জল
ভর্তি একটা স্প্রে রাখুন৷ গাছে জল দেওয়ার
স্প্রে হলেও চলবে৷ ঘুমোতে যাওয়ার
আগে ঘাড়ে-মুখে হালকা জল
স্প্রে করতে পারেন৷
একটা রুমাল বা এক টুকরো নরম কাপড়
জলে ভিজিয়ে ঘন্টাখানেক ফ্রিজের ভিতর
রেখে দিন৷ শোয়ার সময়
কাপড়টা কপালে দিয়ে রাখুন৷
এটি মাথা ঠান্ডা করবে এবং দ্রুত ঘুমোতেও
সাহায্য করবে৷
গরম অতিরিক্ত অনুভূত হলে অল্প ভেজা টি-
সার্ট বা মোজা পায়ে দিয়েও ঘুমোনোর
চেষ্টা করতে পারেন৷ এটি শরীর
ঠান্ডা করবে এবং ঘাম রোধ করবে৷
অবশ্যই সুতি এবং নরম কাপড়ের বিছানার
চাদর ব্যবহার করুন৷ বিছানার চাদর ও
বালিশের কভার নিয়মিত পরিষ্কার
করে ব্যবহার করবেন৷
দিনে যতটা সম্ভব জল খান,
সুস্থভাবে কাটানোর চেষ্টা করুন৷ তার পরও
ঘুম না এলে ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনা করুন,
তাতে রাতের ঘুম ভাল না হলেও
বাড়তি চাপের কারণে পরের দিন খারাপ
যাবে না, বরং সৃষ্টিশীল হয়ে উঠতে পারে৷


 Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki, Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks, Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on  Gaxonn :::

::: Gaxon Health_Care :::

আসক্তি মাত্রই ক্ষতিকর আর স্মার্টফোনে আসক্তি যে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে, তা গবেষক ও চিকিত্সকেরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন। অতিরিক্ত স্মার্টফোনের ব্যবহার এবং স্মার্টফোন থেকে নির্গত আলো দীর্ঘমেয়াদি চোখের সমস্যা তৈরি।

যুক্তরাজ্যের চক্ষুরোগ-চিকিত্সকেরা জানিয়েছেন, মানুষ স্মার্টফোনে এতটাই আসক্ত হয়ে যাচ্ছে যে তাঁরা চোখের সর্বনাশের ঝুঁকি তৈরি করে ফেলছে। বিবিসি অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অতিরিক্ত সময় ধরে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ট্যাবলেট ও ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভি দেখার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছেন চক্ষুরোগ-বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের দাবি, যে যন্ত্রগুলো থেকে আলো নির্গত হয় তা চোখের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা তৈরি হতে পারে এবং মাথাব্যথা হতে পারে।

দুই হাজার লোকের মধ্যে চালানো এক জরিপের কথা বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ওই জরিপে ২৫ বছরের কম বয়সীরা দিনে ৩২ বারেরও বেশি মোবাইল ফোনে চোখ রাখেন-এমন তথ্য জানা গেছে।

 চক্ষুরোগ-চিকিত্সক অ্যান্ডি হেপওর্থ দাবি করেছেন, মোবাইল চোখের দিকে তাকালে চোখের পলক কম পড়ে এবং স্বাভাবিকের তুলনায় স্মার্টফোন চোখের বেশি কাছাকাছি এনে কোনো বিষয় দেখা হয়। মোবাইল ফোনের আলো চোখের জন্য ক্ষতিকর ও বিষাক্ত হতে পারে। তাই একটানা দীর্ঘক্ষণ স্মার্টফোন স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা উচিত নয়।


এদিকে, অতিরিক্ত সময় ধরে মুঠোফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক নিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়াও এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অতিরিক্ত সময় ধরে মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুক্রাণু কমিয়ে দিতে পারে। অধিকাংশ পুরুষই তাঁর মুঠোফোন প্যান্টের পকেটে রাখেন। এ সময় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন পুরুষের প্রজননতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। এ ধরনের ক্ষতিকর তরঙ্গ শুক্রাণুর ওপর প্রভাব ফেলে এবং শুক্রাণুর ঘনত্ব কমিয়ে দিতে পারে। মুঠোফোন তরঙ্গে শুক্রাণুর ক্ষতি বিষয়ক সাম্প্রতিক এক গবেষণায় যুক্তরারে গবেষকেরা এ তথ্য পেয়েছেন। ভারতের জয়েন্ট প্রতিস্থাপন চিকিত্সক নীরদ ভেং সরকার জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সময় ধরে মেসেজ বা বার্তা টাইপ করা হলে আঙুলের জয়েন্টগুলোতে ব্যথা হতে পারে এবং অবস্থা বেশি খারাপ হলে আর্থরাইটিসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকের ঘাড় ব্যথার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। অনেকেই অতিরিক্ত ঝুঁকে বসে দীর্ঘ সময় ধরে বার্তা পাঠাতে থাকেন। বসার ভঙ্গির কারণেও শরীরে নানা অসুবিধা দেখা দিতে পারে। চিকিত্সকের পরামর্শ হচ্ছে অতিরিক্ত সময় ধরে মুঠোফোনে বার্তা লিখবেন না, বা অতিরিক্ত সময় স্মার্টফোনের স্ক্রিনে তাকাবেন না।
Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki, Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks, Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on  Gaxonn :::
::: Gaxon Technology News :::

অ্যান্ড্রয়েডে ঢুকে পড়ছে ভয়ংকর এক ড্যান্ড্রয়েড! অ্যান্ড্রয়েড হচ্ছে গুগলের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম কিন্তু ড্যান্ড্রয়েড কী? এই ড্যান্ড্রয়েড হচ্ছে মারাত্মক এক ভাইরাস, যা অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমকে আক্রান্ত করে অ্যান্ড্রয়েডের ছদ্মবেশেই।

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল থেকে ব্যবহারকারীর অজান্তে অপরিচিতের নম্বরে ফোন কল, বার্তা পাঠানো, কিংবা অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড, হঠাত্ মোবাইল ডেটার ব্যবহার বেড়ে যাওয়া, দ্রুত ব্যালেন্স শেষ হওয়ার জন্য দায়ী হতে পারে এই ড্যান্ড্রয়েড। ভারতীয় সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এই ড্যান্ড্রয়েড বিষয়ে সতর্ক হতে পরামর্শ দিয়েছেন। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে পিটিআই।

কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপনস টিম অফ ইন্ডিয়ার (সিইআরটি-ইন) গবেষকেরা অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের সতর্ক করে জানিয়েছেন, অ্যান্ড্রয়েডের জটিল ভাইরাস ড্যান্ড্রয়েড আক্রমণ করলে স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি হারাতে হতে পারে। মারাত্মক ‘ট্রোজান’ পরিবারের এই ভাইরাসটি একবার সক্রিয় হয়ে গেলে স্মার্টফোনের কমান্ড ও কন্ট্রোল সার্ভার নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং ব্যক্তিগত বার্তা আদান-প্রদানে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।

গবেষকেরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, ড্যান্ড্রয়েড এতটাই সূক্ষ্ম ছদ্মবেশী ভাইরাস যে অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যারের সঙ্গে এর অমিল খুঁজে পাওয়া শক্ত। এই ভয়ংকর সফটওয়্যারটি ইনস্টল হলে সাইবার দুর্বৃত্তরা দূরে বসেই স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে।

ড্যান্ড্রয়েড ইনস্টল হলে সাইবার দুর্বৃত্তরা সহজেই কল লগ মুছে দেওয়া, কমান্ড পরিবর্তন করে দেওয়া, যেকোনো নম্বরে কল করা বা বার্তা পাঠানো, ওয়েব পেজ খোলা, কল রেকর্ড করা কিংবা অডিও রেকর্ড, দূরে বসে ছবি বা ভিডিও আপলোড, লাইক দেওয়া কিংবা নতুন অ্যাপ্লিকেশন খোলার মতো কাজ করতে সক্ষম হয়।

স্মার্টফোন থেকে অগোচরে অর্থ গায়েব হয়ে যাচ্ছে কিনা বা ব্যবহারকারীর অগোচরে স্মার্টফোনে ডাটা ব্যবহার হচ্ছে কিনা তা খেয়াল করে ড্যান্ড্রয়েড নিয়ে সতর্ক থাকতে বলেছেন গবেষকেরা।

ড্যান্ড্রয়েড প্রতিরোধে অপরিচিত ও অবিশ্বস্ত কোনো প্ল্যাটফর্ম থেকে অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করতে নিষেধ করেছেন তাঁরা।

গবেষকেরা পরামর্শ দিয়েছেন, কেবল উত্স নিশ্চিত হয়ে এবং পরিচিত প্ল্যাটফর্ম থেকেই অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন। ড্যান্ড্রয়েড আক্রমণ হলে মোবাইল সিকিউরিটি সফটওয়্যার বা অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে পুরো সিস্টেম স্ক্যান করুন। কোনো অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার আগে আপনার অনুমতি চাওয়া হচ্ছে কিনা তা খেয়াল করুন এবং অনুমতি দেওয়ার আগে অ্যাপসটির উত্স সম্পর্কে নিশ্চিত হন।

ভারতের সাইবার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটির গবেষকেরা জানিয়েছেন, মোবাইল ফোন থেকে ব্রাউজ করার সময় বিভিন্ন লিংকে ক্লিক করার বিষয়ে সচেতন থাকুন। যেকোনো লিংক নিশ্চিত না হয়ে ক্লিক করবেন না। অ্যান্ড্রয়েডের আপডেট বা প্যাচ ইনস্টল করার সময় তার উত্স সম্পর্কে জানুন এবং  ডিভাইস এনক্রিপশন ব্যবহার করুন।


স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ কত দ্রুত শেষ হচ্ছে, মোবাইল বিল বাড়ছে কি না বা ডেটা ব্যবহার অস্বাভাবিক হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখার পরামর্শও দিচ্ছেন গবেষকেরা। ড্যান্ড্রয়েড থেকে সুরক্ষায় অনিরাপদ ও অপরিচিত ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে মোবাইল থেকে ব্রাউজ করার সময়ও সতর্ক থাকতে হবে।
Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki, Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks, Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on  Gaxonn :::

"কি" এবং "কী" বাংলা ভাষার এই শব্দ দুটির ব্যবহার নিয়ে প্রায়ই আমাদের সমস্যায়
পড়তে হয়। বিশেষ করে লেখার সময় এই দ্বিধাদ্বন্দ্বটা আমাদের মধ্যে কাজ করে। "ি"
এবং "ী" নিয়ে এই সমস্যা এড়াতে আমরা প্রায়শই এর যথেচ্ছ ব্যবহার করে অজান্তেই
বাংলা বানানে ভুল করে ফেলি।
আজ "কী" এবং "কি" এর ব্যবহার নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় এর সমাধান করার চেষ্টা
করব।

|কী|
® সর্বনাম, বিশেষণ ও ক্রিয়া বিশেষণ এর বেলায় স্বতন্ত্র পদ হিসেবে ব্যবহৃত হলে
"কী" লিখতে হবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে ঈ-কার ব্যবহৃত হবে।
যেমন : কী রূপ বা কীরূপে

® সর্ব কোন বস্তু বা কোন বিষয় এর বেলায় "কী" লিখতে হবে।
যেমন : তুমি কী খাবে?? কী জিনিস??

® কেমন বুঝালে "কী" লিখতে হবে।
যেমন : কী করে এ কথা বললে??

® কতো বা কিছুটা প্রাধান্য বুঝালে "কী" লিখতে হবে।
যেমন : কী আনন্দ!!!!

|কি|
® সংশয়সূচক বা প্রশ্নবোধক বাক্যে "কি" ব্যবহার করতে হবে।
যেমন : তুমি কি যাবে??

® অথবা, কিংবা বুঝাতে "কি" ব্যবহার করতে হবে।
যেমন : কি শীত কি গ্রীষ্ম।


(ত্রুটি মার্জনীয়)
::: Gaxon Technology News :::

নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম আনতে গুগলের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড থেকে দূরে সরে যেতে চায় স্যামসাং। মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেটের বাজারে নিজস্ব আধিপত্য বজায় রাখতে কয়েক বছর ধরেই নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি। বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পেটেন্ট নিয়ে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে এক মামলার বিচার চলছে। এ মামলায় উভয় পক্ষ সম্প্রতি যেসব নথিপত্র হাজির করছে তাতে অনেক অজানা ও গোপন তথ্য বের হয়ে আসছে।
সম্প্রতি অ্যাপলের সেলস টিমের সংগ্রহ করা স্যামসাংয়ের একটি নথি থেকে বেশ কিছু অজানা তথ্য বের হয়ে এসেছে। এতে দেখা গেছে, অ্যাপলকে ঠেকাতে নানা রকম পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতিষ্ঠানটি আর অ্যাপলকে ঠেকাতে অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে মোটেও বন্ধু ভাবেনি স্যামসাং।
স্যামসাংয়ের ওই নথিতে সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেছে দুর্বল ব্র্যান্ড ও নিম্নমানের পণ্যকে।
এ ছাড়াও অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর পণ্য তৈরি করে স্যামসাং জনপ্রিয় হলেও নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমকে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

দুই বছর আগের ওই নথিতে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম আনার কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত ওপেন-সোর্স ভিত্তিক টাইজেন অপারেটিং সিস্টেম নির্ভর স্মার্টফোন বাজারে ছেড়েছে স্যামসাং।

মার্কিন বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, স্যামসাংয়ের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমে যাওয়ার সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশনের অপ্রতুলতা। অ্যাপ্লিকেশন বেছে নেওয়ার সুবিধা কম থাকায় স্যামসাংয়ের নতুন প্ল্যাটফর্মে গ্রাহকদের আনা যাবে কিনা তা নিয়েই আগে কাজ করতে হবে বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটিকে।
Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki, Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks, Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on  Gaxonn :::

::: Gaxon Health_Care :::

বলা হয়ে থাকে, তরমুজ ওজন কমাতে সাহায্য করে, নিম্ন রক্তচাপ থাকলে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সহায়ক তরমুজ। তবে, নতুন খবর হলো, তরমুজ পুরুষদের যৌনজীবনকে তরতাজা করে তুলতে পারে!
রসাল এই ফলের স্বাদের কথা সবাই জানেন। খেতেও পছন্দ করেন অনেকেই। কিন্তু আলাদাভাবে এর পুষ্টিগুণের কথা আলোচনা হয় না খুব একটা।
সম্প্রতি ইতালীয় গবেষকদের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, তরমুজের সাইট্রুলিন অ্যামাইনো অ্যাসিড রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর পাশাপাশি পুরুষত্বহীনতায় মহৌষধ হিসেবে কাজ করতে পারে। ইন্দো-এশিয়ান নিউজ এ খবর জানিয়েছে।
আমাদের শরীর এই সাইট্রুলিনকে ব্যবহার করে আরেকটা অ্যামাইনো অ্যাসিড সৃষ্টি করে, যার নাম অরগিনিন। এই অরগিনিন অনেকটা ভায়াগ্রার মতো কাজ করে। এটা শরীরে নাইট্রিক অক্সাইড বাড়ায়, যা রক্তনালিগুলোকে চাপমুক্ত করে। ভায়াগ্রা-জাতীয় ওষুধগুলোও এই একই প্রক্রিয়ায় কাজ করে থাকে। আর অতিরিক্ত নাইট্রিক অ্যাসিড কণ্ঠনালির প্রদাহ, উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা সমাধানে সহায়ক হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে গবেষণাটিতে।

রসাল ফল তরমুজের ৯২ ভাগই পানি আর ৮ ভাগ শর্করা। তরমুজ একই সঙ্গে ভিটামিন ‘সি’রও দারুণ উত্স।
Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki, Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks, Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on  Gaxonn :::

::: Gaxon Health_Care :::

সমৃদ্ধশালী দেশে মানুষ সাধারণত জীবন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকে। কিন্তু তাদের জীবনেও একধরনের তিক্ত দুঃখবোধ ও বিরক্তি থাকতে পারে। ফলে দরিদ্র দেশের মানুষের চেয়ে তারা এক হিসাবে পিছিয়ে পড়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লুই টে ও তাঁর সহযোগীরা ১৫৮টি দেশের আট লাখ ৪০ হাজার মানুষের ওপর পরিচালিত এক গবেষণার ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। এ গবেষণা প্রতিবেদন সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়, মানসিক চাপের তীব্রতা ধনী দেশের বাসিন্দাদের মধ্যেই তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। ফলে তাদের মধ্যে নেতিবাচক আবেগের প্রকাশও বেশি। আর সেই বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিত্তশালী মানুষের তুলনায় জিম্বাবুয়ের একজন স্বল্প আয়ের মানুষও সুখী জীবনযাপন করতে পারে।
লুই টে বলেন, উন্নত আয়ের দেশের মানুষের জীবনযাত্রা বেশ দ্রুত। আর সেখানে কাজ, মানুষের প্রত্যাশা আর বিভিন্ন বিকল্প থেকে বাছাই করে নেওয়ার সুযোগও থাকে বেশি। কিন্তু দরিদ্র আয়ের দেশের মানুষের জীবনের গতি ও চাহিদাও থাকে তুলনামূলক কম।

মানসিক চাপ ও দুঃখবোধের সম্পর্ক নিয়ে অতীতেও একাধিক গবেষণা হয়েছে। এতে দেখা যায়, উদ্বেগ এবং হরেক রকমের বিকল্প থেকে সেরা কিছু বাছাই করতে গিয়ে মানুষ চাপের মধ্যে পড়ে। লাইভসায়েন্স।
Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki, Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks, Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on  Gaxonn :::

::: Gaxon Health_Care :::

সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের তরুণী, যে নিজের জীবন নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখে। কিন্তু স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার ঈশ্বরপ্রদত্ত গায়ের রঙ। এ নিয়ে সে খুবই হতাশ। অবশেষে কোনো এক বান্ধবীর পরামর্শে একটি ‘জাদুকরি’ রঙ ফর্সাকারী ক্রিমের খোঁজ পেলো। সেই ক্রিম ব্যবহার করে রাতারাতি পাল্টে গেলো তরুণীর ভাগ্য। রাস্তাঘাটের ছেলেরা অবাক হয়ে তার দিকে তাকাতে লাগলো যারা এতদিন তাকে অবজ্ঞা করতো। একদিন তার স্বপ্নের রাজপুত্র ময়ুরপংখি নাও ভিরালো তার ঘাটে। তার পর শুধু আনন্দের গল্প! কালো মেয়েটের ভাগ্য পরিবর্তনের পুরো কৃতিত্ব রঙ ফর্সাকারী ক্রিমের!! সত্যি হোক কিংবা ভ্রান্তি, মানুষ এখন ফরসা ত্বকে মোহগ্রস্ত। ছেলে কিংবা মেয়ের স্বপ্নের রানী বা রাজা কোন কালো ত্বকের কেউ নয়। একটা ছেলের রঙিন চোখ খুঁজে ফিরে একটা ফর্সা সুন্দরী ললনা। তা হোক জীবন সঙ্গীনি কিংবা বন্ধুত্ব করার জন্য। তেমনি একটা মেয়েও কখনোই কল্পনা করেনা যে একটা কালো ত্বকের ছেলে তার জীবন সঙ্গী বা বন্ধু হবে। ছেলে মেয়ে কেউই চায়না কালো ত্বকের কারো সাথে জীবনে জড়াতে। ছেলে কিংবা মেয়ে সবার অবচেতন মনের গহীনে লালন করে একটি সুন্দর ত্বকের বিপরীর লিঙ্গের মানুষ। এটা শুধু বাংলাদেশ কিংবা ভারতে নয়, পৃথিবীর অনেক দেশেই। যদিও ভাগ্যের লিখন না যায় খন্ডন। আর এ সুযোগ নিতে ভুল করেননি ব্যবসায়ীরা। তারা বিভিন্ন কৌশলে ত্বক ফর্সা করার প্রলোভন দেখিয়ে উপস্থান করছে নিত্য নতুন উপকরণ। হাজির করছে নানান নামের রং ফর্সা করা ক্রিমের পসরা। দেশী বিদেশী কসমেটিক কোম্পানিগুলো নিয়ে এল রঙ ফরসাকারী ক্রিম। কয়েক দশক ধরে ধীরে ধীরে এর বাজার বাড়ল। একসময় সেলিব্রিটিরা এসব পণ্যের প্রচারে নামলেন, বিক্রি উঠল তুঙ্গে। ভারতের গবেষণা সংস্থা গবেষণা সংস্থা ACNielsen এর মতে শুধু ইন্ডিয়াতেই ২০১০ সালে এই বাজারের আর্থিক মূল্যমান ছিল ৪৩২ মিলিয়ন ডলার এবং প্রতি বছর ১৮% প্রবৃদ্ধি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। গত বছর দেশটিতে ফেয়ারনেস ক্রিম ব্যবহার করা হয়েছে ২৩৩ টন।

সম্ভবত ব্রিটিশরা উপমহাদেশে শাসন শুরু করবার পর থেকেই এই ধারণা জন্মাতে শুরু করে যে, গায়ের রং ফর্সা মানেই সুন্দর। অবশ্য এরও আগে বর্ণপ্রথার সুবাদে এই ধারণা জন্মায় যে ‘ব্রাহ্মণরা শুদ্ধ বিধায় সাদা এবং দলিত তথা নিম্ন বর্ণের লোকজন অশুদ্ধ বিধায় কালো’। ধীরে ধীরে ফর্সা হওয়ার ধারণা এত ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করে যে এশিয়া মহাদেশ কিংবা আরেকটু স্পষ্ট করে বললে ভারতীয় উপমহাদেশ ফেয়ারনেস ক্রিম কোম্পানিগুলোর সবচাইতে বড় বাজারে পরিণত হয়েছে। উপমহাদেশের নামজাদা সব অভিনেতা-অভিনেত্রীই ফেয়ারনেস ক্রিম কোম্পানিগুলোর মডেল হয়েছেন,যার ফলে এইসব ফেয়ারনেস ক্রিম নারীসমাজের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়। ফেয়ারনেস ক্রিম শুধু নারীতেই থেমে থাকেনি বরং এখন পুরুষের জন্যও ফেয়ারনেস ক্রিম পাওয়া যায়। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বেশ জনপ্রিয় একজন ক্রিকেটার এই মিডিয়া ক্যাম্পেইনে আছেন। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, অধিকাংশ রঙ ফরসাকারী পণ্যে মারকিউরাস ক্লোরাইডের মতো অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস ব্যবহার করা হয়, যা ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সম্প্রতি ভারতের সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের (সিএসই) পলিউশন মনিটরিং ল্যাব-এ পরীক্ষা করা সবকটি ফেয়ারনেস ক্রিমেই পারার পরিমাণ পাওয়া গিয়েছে ৪৪ শতাংশেরও বেশি। বাজারে প্রথম সারির মোট ১৪টি ফেয়ারনেস ক্রিমের উপর এই পরীক্ষা চালানো হয়। সিএসই-র ডিরেক্টর জেনারেল সুনীতা নারায়ণ বলেছেন, "কসমেটিক্সে পারার ব্যবহার সম্পূর্ণ ভাবে অনৈতিক ও বেআইনি।"

প্রশ্ন জাগে এসব ক্রিম কি সত্যিই কোনো কাজে আসে? প্রাথমিক ভাবে এইসব ফেয়ারনেস ক্রিম ব্যবহারের ফলে সাময়িক ভাবে ত্বকের রং কিছুটা ফর্সা হলেও দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি মোটামুটি নিশ্চিত। ত্বকের জন্য ক্ষতিকর এই সকল রং ফর্সাকারী ক্রিম ব্যবহারকারীরা ভাবতের পারেন এই ক্রিম ব্যবহারের ফলে তাদের ত্বকের রঙে পরিবর্তন এসেছে। আগের চেয়ে একটু ফরসা দেখা যাচ্ছে (আসলে ফ্যাকাসে)। কিন্তু এর বিনিময়ে কতটুকু মূল্য দিয়ে যাচ্ছেন, সেটা জানা আছে তো? সকলের জানা দরকার যে রঙ ফরসাকারী ক্রিম সবার জন্যই ক্ষতিকর।ফর্সা হওয়ার ক্রিম আপনার জীবনে ডেকে আনতে পারে চরম বিপর্যয়। এমনটাই জানাচ্ছেন বৈজ্ঞানিকরা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রায় সব ফর্সা হওয়ার ক্রিমেই মেশানো থাকে পারা। যার থেকে ত্বকের অ্যালার্জি, র‌্যাশ এমনকি ক্যানসারও হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, অধিকাংশ রঙ ফরসাকারী পণ্যে মারকিউরাস ক্লোরাইডের মতো অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস ব্যবহার করা হয়, যা ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। মারকিউরাস ক্লোরাইড মূলত ব্লিচের কাজ করে, আর এটাই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ ধরনের ক্রিম নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক পাতলা হয়ে যায় ও টানটান ভাব হারায়। এতে ব্রণও সৃষ্টি হয়। এছাড়াও ফেয়ারনেস ক্রিম ত্বককে ফটোসেনসেটিভ বা আলোক সংবেদনশীল করে তোলে। তাই এ ধরনের ত্বকে সূর্যের রশ্মি তুলনামূলক বেশি প্রভাব ফেলে এবং গুটি ও খুজলি তৈরি হয়। এছাড়া অনেক সংবেদনশীল ত্বকে অয়েল প্যাক, ফেশিয়াল কিংবা ম্যাসাজ করলেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। একটি প্রশ্ন তাহলে রয়েই যায়, সত্যিই কী ত্বকের রঙ পরিবর্তন করার জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ কোনো পদ্ধতি নেই? হ্যাঁ, আছে। জাপান ও ইউরোপে বর্তমানে বেশ কিছু কার্যকরী ক্রিম পাওয়া যাচ্ছে, তবে এগুলোকে আসলে ক্রিম না বললে উচ্চমূল্যের ওষুধ বলাই ভালো, যা মেলানিনকে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই প্রভাবিত করতে পারে। অবশ্য এসব ব্যবহারের আগে ডাক্তারের যথাযথ নির্দেশনা প্রয়োজন। বর্তমানে মেয়েদের পাশা পাশি রুষদের ফেয়ারনেস নিয়েও বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছে কোম্পানিগুলো। কিন্তু মনে রাখা ভালো, পুরুষ ও নারীর ত্বকে খুব বেশি পার্থক্য নেই। উল্টো ছেলেদের ফেয়ারনেস ক্রিমে অধিক পরিমাণে ব্লিচ ব্যবহার করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্রণ বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


তার পরও অনেকে নিজের ত্বক ফরসা করার ত্যাগ হিসেবে এ ক্ষতি মেনে নেন। তাই ফেয়ারনেস ক্রিমের মায়া তারা ছাড়তে পারেন না। কিন্তু তাদেরও জেনে রাখা ভালো, ব্লিচিং শুধু সাময়িক ফরসা করতে পারে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ভালো ত্বকের জন্য জরুরি পিগমেন্টেশন কমানো, যা ফেয়ারনেস ক্রিমের পক্ষে সম্ভব নয়। তা ছাড়া এটা মনে রাখা ভালো যে ড্যামেজ ফরসা ত্বকের চেয়ে তুলনামূলক কম ফরসা নিখুঁত ত্বক অনেক বেশি আকর্ষণীয় ও কাঙ্ক্ষিত। তা ছাড়া একজন নর বা নারী যদি শিক্ষা-মেধা সহ অন্যান্য গুণাবলি থাকে, তাহলে তারা কেন ফেয়ারনেস ক্রিম ব্যবহার করবেন? তাহলে কি ফর্সা হওয়াটাই কি সব? সুতরাং সাত দিনে ফর্সা হতে চান? টিভি বিজ্ঞাপনের চটকে ভোলার আগে দু-বার ভাবুন। এখনও সময় আছে। সতর্ক হোন। তথাকথিত সুন্দরী হওয়ার আকাঙ্খা আপনাকে মারাত্মক সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে না তো? কারণ সচেতনতার বিকল্প নাই। আজ থেকেই বিরত থাকুন তথা কথিত এই সকল রং ফর্সা করা ক্রীম যার বেশীর ভাগ ত্বকের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর।
Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki, Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks, Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on  Gaxonn :::

::: Gaxon Relation :::

ফেসবুক-টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগের অনলাইন মাধ্যমগুলো দাম্পত্য সম্পর্কে বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রতারণা, শারীরিক ও মানসিক টানাপোড়েন থেকে শুরু করে কখনো কখনো বিচ্ছেদ পর্যন্ত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।
সাইবারসাইকোলজি, বিহেভিয়ার অ্যান্ড সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাময়িকীতে এ-সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়, ফেসবুক-টুইটারের ব্যবহারকারীরা নিজেদের ঘনিষ্ঠতম সঙ্গীদের সঙ্গেও এসব মাধ্যম-সম্পর্কিত বিভিন্ন বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। এতে অনেক পুরোনো সম্পর্কেও ভাঙন ধরতে পারে।
গবেষক রাসেল ক্লেটনের নেতৃত্বে এক জরিপে টুইটার ব্যবহারকারী ৫৮১ জন ব্যক্তি অংশ নেন। তাঁদের অধিকাংশই টুইটার নিয়ে নিজেদের প্রিয়জনদের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ওপর পৃথক এক জরিপ চালিয়ে ক্লেটন দেখতে পান, অন্তত তিন বছরের পুরোনো সম্পর্কেও জটিলতা থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ভাঙন পর্যন্ত দেখা দিয়েছে ফেসবুকবিষয়ক ঝগড়ার জেরে।
গবেষণা শেষে ক্লেটনের পরামর্শ, যেকোনো বয়সী দম্পতিদের ফেসবুক-টুইটার ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা থাকা উচিত। কারণ, দীর্ঘ সময় ধরে বা একটানা এসব মাধ্যম ব্যবহারে স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি পারস্পরিক বিশ্বাসের অভাব এবং বিচ্ছেদ দেখা দিচ্ছে। আইএএনএস।

 Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki, Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks, Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on  Gaxonn :::



::: Gaxon Technology News :::

সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক এবার চালু করেছে সংবাদসেবা। সংবাদ সংস্থা ও সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ এ সেবা। সম্প্রতি ‘ফেসবুক নিউজওয়্যার’ নামের এ সেবাটি চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়। নতুন সেবা দিতে নিউজ করপোরেশনের মালিকানাধীন স্টোরিফুলের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে ফেসবুক। সংস্থাটি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের টাইমলাইন থেকে ছবিসহ সংবাদ সংগ্রহ করে সেসব সংবাদ পরিবেশন করবে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো সংবাদের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রতিদিন ফেসবুকে প্রায় কয়েক কোটি ব্যবহারকারী নানাভাবে ফেসবুকে সংবাদ দিচ্ছেন, আবার সংবাদ শেয়ার করছেন।

ফেসবুক ছাড়াও জনপ্রিয় খুদে ব্লগ লেখার সাইট টুইটার, ভিডিও দেখার সাইট ইউটিউব, গুগলের সামাজিক যোগাযোগের সাইট গুগল প্লাসে হাজারো সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। ফেসবুকের নিউজ এবং গ্লোবাল পার্টনারশিপ বিভাগের পরিচালক অ্যান্ডি মিশেল জানান, ‘ফেসবুকে যুক্ত ব্যবহারকারীরা এক জায়গায় থাকায় সংবাদ খোঁজার বিষয়টি এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। 
এ সংবাদগুলোকে আরও সহজে সংবাদ সংস্থা কিংবা সাংবাদিকদের কাছে পৌঁছাতে চালু করা হয়েছে ফেসবুক নিউজওয়্যার।’
ব্যবহারকারীদের শেয়ার করা কিংবা নানাভাবে প্রকাশিত সংবাদগুলো থেকে স্টোরিফুল প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সংবাদ সংগ্রহ করবে। তবে সংবাদ, ছবি ও ভিডিও সংগ্রহের আগে কপিরাইটের বিষয়টি পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গেছে।

ফেসবুক নিউজওয়্যারের নানা খবর পাওয়া যাবে www.facebook.com/FBNewswire ঠিকানার পেজে।
Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki, Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks, Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on  Gaxonn :::

::: Gaxon Technology News :::

নকিয়ার একটি যুগের অবসান হতে চলেছে। সুপরিচিত নকিয়ার মোবাইল বিভাগটির নাম পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই শেষ হচ্ছে নকিয়ার এই পথ চলা। নকিয়ার মোবাইল বিভাগটির নাম পরিবর্তন করে মাইক্রোসফট মোবাইল নাম দেবে মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ। এপ্রিলের শেষ নাগাদ নকিয়ার মোবাইল বিভাগটি কিনে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি ফিনল্যান্ড নকিয়া ও মাইক্রোসফটের চুক্তি সম্পর্কিত থেকে একটি চিঠি অনলাইনে ফাঁস হয়েছে। 
এই চিঠির তথ্য অনুযায়ী, নকিয়া করপোরেশনকে মাইক্রোসফট নতুন নাম দিচ্ছে আর সেই নতুন নাম হচ্ছে মাইক্রোসফট মোবাইল করপোরেশন। এই চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, শিগগিরই মাইক্রোসফট ও নকিয়ার চুক্তি সম্পন্ন হবে। অবশ্য মার্চ মাসেই মাইক্রোসফট ও নকিয়া কর্তৃপক্ষ এপ্রিল মাসের মধ্যে চুক্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা প্রকাশ করেছিল।
ফাঁস হওয়া চিঠির অংশ
নকিয়া কী আর থাকছে না? এই প্রশ্নটি মনে জাগা স্বাভাবিক। মার্কিন বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, মাইক্রোসফটের কাছে নকিয়া বিক্রি হয়ে যাওয়ার অর্থ নকিয়া নামটি একেবারেই মুছে যাওয়া বা নকিয়া নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া নয়। এর অর্থ হচ্ছে এখন মানুষ যে নকিয়াকে জানে সে পরিচয় শেষ হয়ে যাওয়া। মাইক্রোসফট কেবল নকিয়ার মোবাইল ফোন বিভাগটি কিনেছে যার মধ্যে রয়েছে নকিয়ার ফিচার ফোন নির্মাতা দলটিও। 
তবে নেটওয়ার্ক যন্ত্রাংশের ব্যবসা ও হেয়ার ম্যাপসের ব্যবসা বিক্রি করেনি নকিয়া কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়াও নকিয়া ব্র্যান্ড নামটি ব্যবহার করার অধিকার রয়েছে বর্তমান নকিয়া কর্তৃপক্ষের। ৭২০ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তিতে এক দশকের জন্য নকিয়া ব্র্যান্ড নামটি ব্যবহার করার অনুমতি পেয়েছে মাইক্রোসফটও। এ ছাড়াও লুমিয়া ও আশা ব্র্যান্ডটিও ব্যবহার করতে পারবে মাইক্রোসফট।বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, নকিয়ার নাম মাইক্রোসফট মোবাইল হয়ে গেলেও ব্যবসায়িক অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক একইরকম রাখবে মাইক্রোসফট।

নকিয়াকে কিনে নেওয়ার শর্ত হিসেবে, নকিয়ার সব অধিকার ও সুবিধার পাশাপাশি এর পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট দায়বদ্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন: নকিয়ার ভবিষ্যৎ কোন পথে

Source:- Abp News,The Stateman,, touchinlife, Wiki, Healthpro, Masable,Bartoman,Kolom,Aajkaal,prothomalo technology, 24hourstalks, Times of India, BBC, Technology Android, NDTV, News India,Android rap, Tuneid,Techtune with Android,In Technology,Android Gear, CNN, Telegraph, Gaxonn technology News, Gaxonn News/Tips. Spoken English & Grammar, www.gaxon.in, www.gaxonn.blogspot.com
যদি এই পোস্ট তোমার কোনও উপকার বা জ্ঞান অর্জনে এর কাজে লাগে, তবে তা আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। অথবা শেয়ার করো ফেসবুকে। www.gaxon.in
::: Thanks to visit on  Gaxonn :::